লকডাউনের পরে ব্যবসার হাল কি হবে ?

প্রিয় বন্ধুরা, আপনার যদি কোন ব্যবসা থেকে থাকে, যেমন কোনো দোকান অথবা কোনো পরিষেবা, তাহলে লকডাউন পরবর্তী কালে তার উপর কি প্রভাব পড়বে সেটা নিয়ে আমরা অনেক রিসার্চ করেছি, শুধু আপনাদের একটু সচেতন করার জন্য। একটু মন দিয়ে পড়বেন।

বিশেষজ্ঞদের মতামত, লকডাউনের সময়ে মানুষের অভ্যাস এবং ব্যবহারে যে আমূল পরিবর্তন এসেছে, লকডাউনের পরবর্তী কালে, সেটা থেকে যাবে এবং সেটা স্বাভাবিক হতে বহু সময়ের প্রয়োজন। পরিবর্তন বলতে বোঝানো হচ্ছে, যেমন মানুষ শিখে গিয়েছে কেমন ভাবে অতি অল্প পরিমাণ রসদ দিয়ে এবং শুধুমাত্র অতিপ্রয়োজনীয় জিনিস দিয়েই জীবন কাটানো ভালো এবং বাইরে বেড়িয়ে ঘোরাফেরা করার অর্থ, বিপদকে ঘরে ডেকে আনা।
এবার ভাবুন, যদি এই মানসিকতা লকডাউনের পরবর্তী সময়ে মানুষের মনে গেঁথে থাকে তবে ছোট, মাঝারি ব্যবসায়ীদের ভবিষ্যতে কি অপেক্ষা করে আছে, বিশেষ করে তাদের, যাদের দোকান আছে বা ছোট অফিস।
এবার একজন সাধারণ গ্রাহক এর দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখা যাক। এরপর থেকে একজন গ্রাহক চেষ্টা করবেন ঘরের থেকে না বেরিয়ে যতটা সম্ভব কেনাকাটা করতে, যেমন অনলাইন শপিং। নিতান্তই প্রয়োজন হলে তারা চাইবে সরাসরি কোনো পরিচিত অথবা প্রসিদ্ধ দোকান অথবা অফিসে গিয়ে নিজের প্রয়োজনের জিনিস অথবা পরিষেবা সংগ্রহ করতে, যেখানে আগে মানুষের অভ্যাস ছিল বিভিন্ন জায়গায় ঘোরা এবং মার্কেট রিসার্চ করে তবেই কোনো কিছু কেনা। আর এই ক্ষেত্রে মানুষ সবথেকে বেশি নির্ভর করবে ইন্টারনেটের উপর। যে জিনিস অনলাইনে পাওয়া যায় অথবা যে সমস্ত দোকানের তথ্য ইন্টারনেটে পাওয়া যায়, গ্রাহক চাইবে শুধু সেখান থেকে লেনদেন করতে, এতে বাইরে বেরিয়ে নিজেকে বিপদে ফেলার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যাবে। এর ফল হবে, সেই সমস্ত ব্যবসা, যাদের নিজস্ব ওয়েবসাইট অথবা অনলাইন স্টোর নেই তারা পিছিয়ে পড়বেন, অনেকটা। অপর দিকে সেই সমস্ত দোকান বা ব্যবসা, যারা এই সুযোগে নিজের ব্যবসা কে ইটের চার দেওয়ালে আবদ্ধ না রেখে অনলাইন এ নিয়ে যেতে পারবেন, তাদের ব্যবসা আরো সমৃদ্ধ হবে, আগের থেকেও অনেক বেশি, এটা নিশ্চিত।

কাজেই এই লকডাউনের পরবর্তী সময়ে নিজের ব্যবসাকে ধরে রাখতে গেলে যেমন একটু বুদ্ধি করে পা ফেলতে হবে তেমনই সবচেয়ে ভালো হয় যদি ব্যবসাকে অনলাইন প্লাটফর্মে নিয়ে আসা যায়। আমাদের অভিজ্ঞতা বলছে শুধু মাত্র একটি সাধারণ কিন্তু সুন্দর ওয়েবসাইট একটি ব্যাবসাকে অন্যদের থেকে অনেকটাই এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। শুধু তাই নয়, আজকের দিনে মানুষ সেই প্রতিষ্ঠানটিকেই পছন্দ করে বেশি যার ইন্টারনেটে উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি। এটি ভীষণ বাস্তব এবং প্রমাণিত। এই আর্টিকেলের উদ্দেশ্য আপনাদের কাছে এই তথ্যগুলি সঠিক সময়ে পৌঁছে দেওয়া। এই বিষয়ে আপনাদের আরো কোনো জিজ্ঞাসা থাকলে আপনারা বিনা সংকোচে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। আমরা বিরক্ত হব না। ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট এবং অনলাইন স্টোর তৈরি করার আমাদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা দিয়ে, সবরকম ভাবে আপনাদের সাহায্য করতে আমরা প্রস্তুত।
WhatsApp করতে পারেন 8001000231 এই নম্বরে।
আমাদের ওয়েবসাইট www.tranzcode.com
ভালো থাকবেন।

#StayHomeStayDafe

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Supportscreen tag